প্রচ্ছদ ›› জাতীয়

রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় যোগ দিতে পারেন প্রধানমন্ত্রী

ইউএনবি
১১ সেপ্টেম্বর ২০২২ ১৯:৩৬:২২ | আপডেট: ২ years আগে
রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় যোগ দিতে পারেন প্রধানমন্ত্রী

আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের রাষ্ট্রীয় অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় যোগ দেয়ার সম্ভাবনা রয়েছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার। যার জন্য লন্ডনে তার অবস্থানের সময়সীমা একদিন বাড়ানো হতে পারে।

রোববার গণমাধ্যমকে এ কথা জানিয়েছে একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র।

আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর রানির মরদেহ রাষ্ট্রীয়ভাবে সম্মান জানানোর জন্য ওয়েস্টমিনিস্টার অ্যাবেতে নেয়া হবে। ওইদিন যুক্তরাষ্ট্রে সকল ব্যাংক ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।

বুধবার সেন্ট্রাল লন্ডনের মধ্য দিয়ে কফিনটি ওয়েস্টমিনস্টার হলে নেয়া হবে। পরবর্তী চারদিন সেখানেই থাকবে কফিনটি।

সূত্রটি জানিয়েছে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১৫ সেপ্টেম্বর লন্ডনের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করার কথা রয়েছে। রানির অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় অংশ নেয়ার পর তিনি ১৯ সেপ্টেম্বর লন্ডন থেকে নিউইয়র্কের উদ্দেশে রওনা হতে পারেন।

বৃহস্পতিবার ৯৬ বছর বয়সে রানি মারা যাওয়ার পর বিভিন্ন বিশ্ব নেতা ও বিশিষ্ট ব্যক্তি রানির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন।

তারা রানির গভীর কর্তব্যবোধ, দৃঢ়তা, রসবোধ ও দয়ালু হৃদয়ের কথা স্মরণ করেছেন।

নিউইয়র্কে জাতিসংঘের ৭৭তম সাধারণ অধিবেশনে যোগ দেয়ার পর ওয়াশিংটন ডিসি সফর শেষে আগামী ৪ অক্টোবর দেশে ফিরবেন প্রধানমন্ত্রী।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন,পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আবব্দুল মোমেন ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলম প্রধানমন্ত্রীর আসন্ন লন্ডন, নিউইয়র্ক ও ওয়াশিংটন সফরে তার সঙ্গে থাকবেন।

তিনি জানান, ‘স্বাস্থ্যগত কারণ’ উল্লেখ করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সদ্য সমাপ্ত রাষ্ট্রীয় ভারত সফরে (৫-৮ সেপ্টেম্বর) তার সফরসঙ্গী দলের অংশ ছিলেন না।’

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, ১৫ সেপ্টেম্বর থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রীর যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্র সফরের কথা রয়েছে।

আগামী ১৩ সেপ্টেম্বর থেকে ‘একটি অশ্রুসিক্ত মুহূর্ত: ইন্টারলকিং চ্যালেঞ্জের রূপান্তরমূলক সমাধান’- এই প্রতিপাদ্য নিয়ে শুরু হচ্ছে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৭৭তম অধিবেশন।

কোভিড-১৯ মহামারি, ইউক্রেনের যুদ্ধ, অনাকাঙ্খিত প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে সৃষ্ট মানবিক চ্যালেঞ্জ, জলবায়ু পরিবর্তনের পাশাপাশি বিশ্ব অর্থনীতির জন্য বিভিন্ন হুমকির বিষয়ে ক্রমবর্ধমান উদ্বেগসহ বিভিন্ন জটিল ও আন্তঃসংযুক্ত সংকটের স্বীকৃতিস্বরূপ এই প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করেছে জাতিসংঘ।

২০ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে বিভিন্ন রাষ্ট্র ও সরকার প্রধানরা এই বিশাল বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জের সমাধান অনুসন্ধান করবেন।

আগামী ২৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলা চলতি বছরের সাধারণ বিতর্ক সম্পূর্ণরূপে ব্যক্তি পর্যায়ে হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।